বৃহস্পতিবার (১ মে) সদর থানার চরাঞ্চলের মোল্লাকান্দির মধ্য মাকহাটি গ্রামে এই হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম ছানা মাঝি। তিনি সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাসের অনুসারী বলে জানা গেছে।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম জানান, পাঁচ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর ছানা মাঝি এবং তার আরও সাত ভাই নিজ গ্রাম ছেড়ে বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেন। ছানা মাঝি ৯ মাস ধরে সদরের বজ্রযোগিনীর ইউনিয়নের ড্যাগ্রাপাড়া গ্রামে পরিবার নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে পূর্ব পরিচিত স্বাধীন নামের এক ব্যক্তি তাকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই নিখোঁজ হন ছানা।
তিনি বলেন, ছানা মাঝিকে একটি পাট ক্ষেতে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে মধ্য মাকহাটির তালগাছতলা সড়কে ফেলে রাখা হয়। এরই মধ্যে মাইকে ঘোষণা করা হয় যে, বাবু মাঝিদের বাড়ি ডাকাত ঢুকেছে এবং স্থানীয় জনতা ডাকাত ছানা মাঝিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে খবর পেয়ে ছানা মাঝিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ছানার রক্তাক্ত শরীরের সঙ্গে একটি একনালা শটগান ও দুই রাউন্ড কার্তুজ পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ১৯৯৮ সালে একই এলাকার বাবু মাঝির ভাই সিপন মাঝি হত্যা মামলার আসামি ছিলো ছানা মাঝি ও তার ভাইয়েরা। দীর্ঘদিন জেলখাটার পর মামলা থেকে নিষ্কৃতি পান ছানা মাঝিরা।
ওসি জানান, এই ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা যায়নি। তবে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কাজ চলছে। মামলার বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন।
ছানা মাঝির স্ত্রী ফাতেমা বেগম স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেছেন।
মন্তব্য করুন